
Just watched 'THE DRAMA'
এই সিনেমা পুরোটাই অভিনয় এর উপর ভর করে দাঁড়িয়ে ছিল। বিশেষ করে রবার্ট প্যাটিনসনের অভিনয় অনবদ্য ছিল। গল্পটা সম্পূর্ণ ড্রামা বেসড, নামের মত।

এই সিনেমা পুরোটাই অভিনয় এর উপর ভর করে দাঁড়িয়ে ছিল। বিশেষ করে রবার্ট প্যাটিনসনের অভিনয় অনবদ্য ছিল। গল্পটা সম্পূর্ণ ড্রামা বেসড, নামের মত।
Little bit Off-topic
We should talk more about our movies, indie collections and all praised all types of real cinemas. I know why Hollywood gets more attention here, we should be aware of that.
Have a Good day fellas.
বেশি কয়েকদিন আগে একটি সাব রেড্ডিট খুলা হয়েছে, যেখানে আমরা ভিন্ন ভিন্ন চলচ্চিত্র নিয়ে আলোচনা করে। আপনি যদি মুভি কে মুভি হিসেবে না দেখে, তার ভিন্ন ভিন্ন ইন্টারপোটেশন আলাপ করতে চান, কিংবা কোন ছবিকে ক্রিটিক্যালি এনালাইসিস করতে চান, বা একজন সাধারন দর্শক হিসেবে ছবি দেখেন, তাহলে এই সাব রেড্ডিট আপনার জন্য।
(কমেন্টে লিংক দেওয়া হল)
প্রথমবার যখন দেখছিলাম, তখন বয়স কম ছিল, মেটাফর আর আল্টার ইগো কি জিনিস, হয়ত আমাদের সবার এ সময় লাগে বুঝতে।
তাই এইসব সিনেমা একটা বয়সের পর সবার রিভিজিট করা দরকার।
ডাইরেক্টর অনেক কিছুই প্রকাশ করেন নি, ইন্টারপ্রিটেশন উপর ছেড়ে দিয়েছেন।
(26M) i have long hair, and I need a hair salon to cut my hair. Where's
Barbar are experienced, and have a good environment.
Suggest me the best hair salon in the town
I think, we should start a campaign for the imax.
What do you think, people?
আপনাদের কেমন লাগলো, ট্রেলার?
কিছু কিছু ক্লিপ দেখলে বুঝা যায়, AI ইউজ করা হইছে। তারপর ও খারাপ না একবারে। ভালোই ছিল।
রবিন উইলিয়াম বরাবর এ অনেক পছন্দের অভিনেতা ছিলেন, উনার অভিনয় কি বলবো। আমার মনে হয় না উনি চরিত্র গুলো অভিনয় করেন, he live with those characters in flims. আমি যদি পারতাম সবাইকে এইসব ফ্লিম জোর করে হলেও দেখাতাম।
গুড উইল হান্টিং সিনেমা ওইসব সিনেমা গুলোর মধ্যে একটা, যেটি আপনার জীবনে গুরুত্বপূর্ণ সময়ের উত্তর দিবে। আপনার জীবনের দৃষ্টিভঙ্গিতে ভিন্নতা আনবে। সবচেয়ে বড় কথা, "নিজেকে ভালোবাসতে সহায়তা করবে"।
(Highly recommend fellas)
এইসব সিনেমা খুব কম মানুষ এ মিস দেয়। আমাদের দেশের মানুষ ভাষা সীমাবদ্ধতার কারণে এইসব সিনেমা মিস করে। এইসব মাস্টারপিস মিস দেওয়া ও, অন্যায় একপ্রকার।
তারপর ও যারা দেখেন নি এখনো, দেখে নিন।
(highly recommended)
তখন আমি অনেক ছোট ছিলাম যখন এই ফিল্মটি দেখেছিলাম, তখন কিছুই বুঝতে পারি নি। সময় এর পরিক্রমায়, বয়সন্ধিকালে ছবিটি অনেকটা ভাবিয়ে তুলে। প্রথম প্রথম তো এমন মনে হতো, যে সবাই কি আদো আমার সাথে অভিনয় করতেসে! অনেকটা ডিলিউশনাল ও লাগত তখন।
জিম ক্যারি এর দুর্দান্ত অভিনয় আর পিটার উইর এর দুর্দান্ত পরিচালনা দেখার জন্য হলেও এই ছবিটি আপনার দেখা উচিত।
গতকাল বনলতা এক্সপ্রেস ফ্লিমটা দেখলাম, আমার ভালোই লেগেছে। বইটা ও অনেক আগেই পড়া হইছিল, কিন্তু কাহিনী টা আমার এখনো মনে আছে। সত্যি বলতে এডাপ্টেশন ভালো ছিল। স্টরি-টেলিং এ তারা বেশ এফোর্ট দিছে, সেটা বুঝা যায়।
এখন আসি, মূল কথায় 2nd হাফ টা আমার একটু স্লোপি লেগেছে, যেইভাবে ক্যারেক্টার আর্ক গুলা দাঁপ দাঁপ করে রিভেল করেছে, আমি ইমোশনালি আর কানেক্ট করতে পারি নাই, এক পর্যায়ে।
হয়ত যারা তানিম নুর কাজের সাথে পরিচিত না, কিংবা যাদের তানিম নূরের চলচ্চিত্র হিসেবে বনলতা এক্সপ্রেস কে প্রথমবার দেখা, তাদের কাছে এটা মাস্টার ক্লাস মনে হতে পারে।
"উৎসব" ফ্লিম এর একটা মেইন পাওয়ার ছিল, শেষ এ একটা গ্রান্ট রিভিল,
যেইটা খুবই হার্ট টাচিং ছিল। কিন্তু তানিম নুর এইবার তা বড় পরিসরে করতে গিয়ে খানিকটা ব্যর্থ হই গেলেন।
পরিচালক তানিম নুর থেকে অনেক এক্সপেক্টেশন, আমি চাইবো তিনি যেন ভিন্ন জনরার কিছু ট্রাই করেন।
মেজবাহোর রাহমান সুমন এর হাওয়া ফ্লিম, আমরা কম বেশি সবাই দেখেছি। আমার চোখে হাওয়া প্রথম বাংলাদেশি ফ্লিম যেটার সিনেমাটো গ্রাফি আমাকে মুগ্ধ করেছে। মেজবাহোর রাহমান সুমন এইবার রইদ ফ্লিম নিয়ে আসছেন, ট্রেইলার দেখে বুজলাম এইবার ও তিনি দুর্দান্ত সিনেমাটো গ্রাফি নিয়ে আসতেছেন। এইবার শুধু রইদ কেমন পারফর্ম করে সেটা দেখার অপেক্ষা।
synopsis : মকবুল একজন বিশ্বস্ত সহযোগী, যে শক্তিশালী ডন আব্বাজির অধীনে কাজ করে। তার আনুগত্য এবং দক্ষতার জন্য সে আব্বাজির সবচেয়ে কাছের মানুষদের একজন।
কিন্তু পরিস্থিতি জটিল হয়ে ওঠে যখন আব্বাজির উপপত্নী নিম্মি-র সঙ্গে মকবুলের গোপন সম্পর্ক গড়ে ওঠে। নিম্মি ধীরে ধীরে মকবুলের মনে উচ্চাকাঙ্ক্ষার বীজ বপন করে সে বিশ্বাস করাতে থাকে যে, মকবুল নিজেই আন্ডারওয়ার্ল্ডের শীর্ষে উঠতে পারে।
ভালোবাসা, লোভ এবং ক্ষমতার আকাঙ্ক্ষার টানাপোড়েনে পড়ে মকবুল এক চরম সিদ্ধান্ত নেয় সে আব্বাজিকে হত্যা করে এবং নিজেই ডন হয়ে ওঠে।
কিন্তু ক্ষমতা দখলের পরই শুরু হয় তার মানসিক পতন। অপরাধবোধ, ভয়, সন্দেহ এবং অস্থিরতা তাকে গ্রাস করতে থাকে। একই সঙ্গে আন্ডারওয়ার্ল্ডের অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্ব এবং প্রতিশোধের আগুন পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তোলে।
শেক্সপিয়ার গল্প থেকে নির্মিত এই এডাপটেশন অনেক সুন্দর ভাবে প্রেজেন্ট করেছেন বিশাল বারতয়াজ। ২০০৩ সালের সিনেমা হিসেবে বিবেচনা করলে, যথেষ্ট ভালই ছিল। সময় থাকলে দেখতে পারেন, সবার অভিনয় মোটামুটি দারুন ছিল।
(ইউটিউবে এভেলেবেল আছে)
এই ফ্লিম ৩টা ভিন্ন গল্পের উপর নির্মিত। এই তিনটি ভিন্ন গল্প আমাদের কে জীবন প্রতি আরো কাছে নিয়ে যায়। এই ফ্লিমের নাম যেমন অনেক বড় লেভেল এর ফিলোসফি ধরে রাখা, তদ্রুপ এই গল্পগুলো ও।
স্ক্রিন প্লে একটু স্লো লাগবে, এইসব ফ্লিম এ স্ক্রিন প্লে স্লো রাখা ছাড়া কোন উপায় নেই আসলে।
Synopsis
১. আলিয়া (ফটোগ্রাফার)
একজন অন্ধ ফটোগ্রাফার অপারেশনের পর দেখতে শুরু করে।
কিন্তু পরে সে বুঝতে পারে দেখতে পারার পর তার আগের মতো ছবি তোলা আর হচ্ছে না।
তখন সে নিজের পরিচয় নিয়েই কনফিউজড হয়ে যায়।
২. মৈত্রেয় (সন্ন্যাসী)
একজন জৈন সন্ন্যাসী, যে প্রাণীর ওপর পরীক্ষার বিরুদ্ধে।
কিন্তু সে নিজে অসুস্থ হয়ে পড়লে এমন ওষুধ দরকার হয়, যেগুলো প্রাণীর ওপর টেস্ট করা।
এখন সে কি নিজের নীতি মানবে, নাকি বাঁচার জন্য সেটার বিপরীতে যাবে?
৩. নবীন (স্টকব্রোকার)
একজন সাধারণ লোক, যে হঠাৎ অঙ্গ চুরির একটা কেসে জড়িয়ে পড়ে।
এই ঘটনাটা তাকে নিজের ভিতরটা নতুন করে ভাবতে বাধ্য করে মানবিকতা, দায়িত্ব এসব নিয়ে।
নুরেম্বেরগ একটা কোর্ট ট্রাইয়াল মুভি। ২য় বিশ্বযুদ্ধের পরে হিটলার ও তার সাঙ্গু পাঙ্গু কয়েকজন আত্মহত্যা করলেও, বাকিরা আত্মসমর্পণ করে। তাদের মধ্যে একজন ছিলেন হেরমান গরিং (তৎকালীন জার্মানির সর্বোচ্চ পর্যায়ের লিডার এবং সামরিক জেনারেলদের মধ্যে অন্যতম)।
এই ছবির স্ক্রিন প্লে এতই দুর্দান্ত যে, আপনাকে একটি সেকেন্ডের জন্য বোরিং ফিল করতে দেবে না এবং রাসেল ক্র আর রামি মালিক এর দুর্দান্ত অভিনয়, আপনাকে অবশ্যই মুগ্ধ করবে।
ইরান যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধকালীন সময়ে ছবিটি কিছু পর্যায়ে এখনো অনেক রেলেভেন্ট।
সময় সল্পতার কারনে এই সিনেমা টা দেখা হলো না।
কেউ কি জানেন এই সিনেমা রি রিলিজ বা ওটিটি দেওয়ার কোনো প্লান আছে কি না?
এইসব সিনেমা আমি কাওকে সাজেস্ট করিনা, তারপর ও একটা সময় পর সবাই, নিজেদের জিবনে এমন একটা সময় দিয়ে যায়। মানুষ যতই বলুক যে সে অন্য মানুষের দুঃখ বুঝতে পারে, আসলে তা সে পারে না। মানুষ শুধু পারে সহানুভূতি দিতে। যাক কথা বারালাম না, আমি অনেক ডিপ্রেশনাল কথা বলে ফেলি।
synopsis -এই সিনেমার গল্প একজন মানুষ মি.বাদি কে ঘিরে, যিনি Tehran শহরের আশেপাশে গাড়ি চালিয়ে বেড়ান। তিনি এমন একজন মানুষ খুঁজছেন, যিনি তাকে একটি অদ্ভুত কাজ করতে সাহায্য করবেন।
বাদি আত্মহত্যা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। তিনি চান, পরের দিন সকালে কেউ এসে দেখবে যদি তিনি মারা যান, তাহলে তাকে মাটিতে কবর দেবে; আর যদি বেঁচে থাকেন, তাহলে তাকে সাহায্য করে তুলে নেবে।
এই পথে তিনি কয়েকজন ভিন্ন মানুষের সাথে দেখা করেন একজন সৈনিক, একজন ধর্মীয় ছাত্র, আর একজন ট্যাক্সিডার্মিস্ট। প্রত্যেকেই তার প্রস্তাবে ভিন্নভাবে প্রতিক্রিয়া জানায়, এবং তাদের কথোপকথনের মাধ্যমে জীবন, মৃত্যু, নৈতিকতা ও আশার বিভিন্ন দৃষ্টিভঙ্গি উঠে আসে।
(সকল ম্যাচিওর চিন্তার মানুষদের জন্য রেকমেন্ডেট)